ইইউর বিকেন্দ্রীকৃত অনুমোদন প্রক্রিয়ার (ডিসেন্ট্রালাইজড প্রসিডিউর-ডিসিপি) আওতায় আয়ারল্যান্ড, জার্মানি, ইতালি, পোল্যান্ড, পর্তুগাল ও মাল্টায় ওষুধটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
অনুমোদনপ্রাপ্ত লেভোথাইরক্সিন সোডিয়াম ট্যাবলেট রেনাটার ইইউর গুড ম্যানুফ্যাকচারিং প্র্যাকটিস (ইইউ জিএমপি) অনুমোদিত উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন উৎপাদন কেন্দ্রে তৈরি করা হবে। নতুন অনুমোদনপ্রাপ্ত ইউরোপীয় বাজারগুলোয় থাইরয়েড রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত লেভোথাইরক্সিনের নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে আগ্রহী রেনাটা পিএলসি।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) রেনাটার শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২০ টাকা ৩৯ পয়সা, আগের বছরে যা ছিল ১৫ টাকা ৯৫ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩২০ টাকা ২ পয়সায়।
সর্বশেষ ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে রেনাটার ইপিএস হয়েছে ১৯ টাকা ৩৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩১ টাকা ৫৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩০৫ টাকা ৪৯ পয়সায়।
২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৯২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে রেনাটার পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩১ টাকা ৫৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২০ টাকা ৪০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৯৫ টাকা ৫৬ পয়সায়।
২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৬২ দশমিক ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে রেনাটার ইপিএস হয়েছে ২০ টাকা ৪০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪৪ টাকা ৫৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৬৬ টাকা ৮৭ পয়সায়।
১৯৭৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রেনাটা পিএলসি ১৯৭২ সালে মার্কিন ওষুধ জায়ান্ট ফাইজারের একটি কোম্পানি হিসেবে বাংলাদেশে যাত্রা করে। ১৯৯৩ সালে ফাইজার স্থানীয় শেয়ারহোল্ডারদের কাছে তাদের মালিকানা বিক্রি করে চলে যায় এবং কোম্পানির নাম ফাইজার (বাংলাদেশ) লিমিটেডের বদলে হয় রেনাটা লিমিটেড। বর্তমান নাম রেনাটা পিএলসি। কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ২৮৫ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১১৪ কোটি ৬৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৩ হাজার ৩৯১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১১ কোটি ৪৬ লাখ ৯৬ হাজার ৪৯০।
এর ৫১ দশমিক ২৯ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২২ দশমিক ৫৭, বিদেশী বিনিয়োগকারী ১৭ দশমিক ৮৮ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।